অন্ধকারে মধ্যে রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভবিষৎ

শংকায় আছে শ্রমিকরা,আবারো ২০১৭-২০২০ ত্রি-বাষিক নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজশাহী জেলা বাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন হয়ে যাওয়া ২০১৭-২০২০ নির্বাচন বাতিল হওয়ায়, আবারো হাই কোর্টের আর্দেশে ২০১৭-২০২০ ত্রি-বাষিক নির্বাচনের আয়োজন করেছেন শ্রম আদালত। হাই কোর্টের আর্দেশে বলা আছে যে, ৩০ দিনের মধ্যে রাজশাহী জেলা বাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নে বানচাল হওয়া নির্বাচনটি পূর্নরা একটি সুষ্ঠ সুন্দর ও নিরোপেক্ষ নির্বাচন কমিটির হাতে নির্বাচনটি শেষ করার আদেশ দেন। সেই আদেশে রাজশাহী জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকরা পূণরায় নির্বাচন ইশতেহার দেন, এবং নমিনেশন ফর্ম তোলেন শ্রমিকরা। জানান যায়, শ্রম আদালত হতে যূগ্ন শ্রম পরিচালক আনিসুর হক প্রায় দুই লক্ষ টাকার মত নমিনেশন ফর্ম বিক্রির টাকা আদায় করেন, যা শ্রমিকদের এবারের নির্বাচনের খরচ বাজট হিসাবে খরচ করা হবে। এছাড়াও শ্রম আদালত কতৃক শ্রমিকদের নির্বাচন বাজেট খরচ আট লক্ষ বাইশ হাজার পাচশত টাকা চাহিদা প্রদান করবে, সেই টাকা শ্রমিক ইউনিয়ন ব্যয় করতে ব্যর্থ হলে, তা শ্রম আদালত নিজে যেকোন ভাবেই নমিনেশন ফর্ম বিক্রির টাকা বাজেট দিয়ে নিবার্চন দিবেন বলে জানান, আনিসুর হক যুগ্ন শ্রম পরিচালক, শ্রম আদালত। তিনি আরো বলেন উচ্চ আদালতের আদেশ মান্য করে, আদেশ অনুযায়ী সরকারী বিধিনিষেশ মান্য করেই এই নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের বাজেট থাকুক আর না থাকুক হাই কোর্টের আদেশ অমান্য করতে আমি পারবো না, যে কোন মূল্যে এই নিবার্চন হবে, তবে একটি মহল শ্রমিকদের ন্যয় দাবি দাওয়া আদায়ে বাধাগ্রস্থ করার চেষ্টা করছে ও নির্বাচন বানচাল করার পক্ষে কাজ করছে, যা আমি কঠোর হস্থে দমন করবো। এদিকে অভিযোগ আসছে শ্রম আদালত কতৃক কোন ইশতেহার ও ভোটার হালনাাগাত না করেই পূর্বের ন্যায় ২২২ জন অনিয়মিত কার্ডধারী শ্রমিক এবং ১৯ জন মৃত ব্যাক্তি নিয়ে এবারের ভোটার লিষ্ট করা হয়েছে, যা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে ব্যহত হবে বলে মনে করছেন সুধী সমাজ ও শ্রমিকরা। প্রকৃত শ্রমিক দ্বারা সঠিক ভোটার লিষ্ট দিয়ে যদি ভোটার লিষ্ট করা হয়, তাহলে শ্রমিকরা সঠিক অধিকার হতে বঞ্চিত হবে না, বলে অভিযোগ করেন একদল শ্রমিক। অপরদিকে একটি মহল টাকার বিনিময়ে অপ্রকৃত ভোটার দিয়ে নতুন ভোটার লিষ্ট করছেন যাতে প্রকৃত ৬৬ জন নিয়মিত ভোটার যাদের মাসিক চাদা থেকে শুরু করে ইউনিয়নের সকল নিয়ম নীতি মেনে চলছে তাদের নাম এবারের ভোটার লিষ্ট থেকে বাতিল করছে বলে ভুক্তভুগি শ্রমিকরা জানান। অনিয়মিত ভোটারদের বাতিল এবং প্রকৃত ভোটার কে ভোটারদের সঠিক লিষ্ট করার বিষয়ে যুগ্ন শ্রম পরিচালক আনিসুর হক বলেন এটা আমার দেখার বিষয় না, সেটা দেখবে নির্বাচন কমিটি, এছাড়াও যদি কেউ লিখিত ভাবে আমাদের অভিযোগ করে তাহলে তা আমরা মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিব। রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের গঠণতন্ত্র অনুযায়ী কোন সদস্যের তিন মাসের মাসিক চাদা বাকী থাকলে সে সদস্যের ভোট দেওয়ার অধিকারও সকল সুযোগ সুবিধা হইতে বঞ্চিত হইবে, তা র্শতে এই সকল শ্রমিক কিভাবে নমিনেশন তোলে শ্রম আাদালত থেকে?
এ দিকে গত নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে কোন প্রতিদন্দি না থাকায় একক ভাবে নিবার্চিত হওযা পদটিতে পূর্নরায নিবার্চন দিচ্ছেন শ্রম আদালন ও নিবার্চন কমিটি, যা সাংগঠনিক কাঠোমো ও গঠনতন্ত্রকে অমান্য করা হচ্ছে বলে দাবি করেন দপ্তর সম্পাদক মমিন। এদিকে গত নির্বাচনে বানচালের হওয়ার পর ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটিকে কোন প্রকার নোটিশ বা চিঠি প্রদান করেনি শ্রম আদালত বলে অভিযোগ একাধিক শ্রমিকের।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে জাবাবে শ্রম আদালত এর বিভাগীয় উপ পরিচালক আলমগীর কুমকুম বলেন নিবার্চন বাজেটের ৮,২২,৫০০/- টাকা এটা আমার দেখার বিষয় না, এটা নির্বাচন কমিটি দেখবে, নিবার্চন সুষ্ট হচ্ছে কি না সেটা দেখেন, এই বাজেটের টাকা বিষয় আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে এখন আমি এর উত্তর দিতে পারবো না।

এই রকম আরও খবর দেখুন

সর্বশেষ আপডেট

অ্যার্কাইভ ক্যালেন্ডার
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০