‘ডা. এম আর খান ছিলেন দেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানের বাতিঘর’

উপচার ডেস্ক: জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান দেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানের বাতিঘর ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। আজ রবিবার দুপুরে বিএসএমএমইউর ডা. মিলন হলে জাতীয় অধ্যাপক এম আর খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন উপচার‌্য। বাংলাদেশের শিশু বিভাগের বিকাশে ও শিশু চিকিৎসক তৈরিতে এম আর খান অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন উল্লেখ করে উপাচার‌্য বলেন, তিনি ছিলেন এ দেশের ‘ফাদার অব প্যাডিয়াট্রিশিয়ান’। আজীবন সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে যেভাবে শিশুদের সেবা দিয়েছেন, তা বর্তমানে শিশু চিকিৎসকদের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। অধ্যাপক এম আর খানকে একজন সফল মানুষ, নেতৃত্বদানকারী গুণী চিকিৎসক হিসেবে বর্ণনা করেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য। তিনি বলেন, ‘এমন গুণী চিকিৎসকের মৃত্যু নেই। কর্মজীবনে কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি তিনি নিজ নিজ এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতেন।’ বিএসএমএমইউর শিশু বিভাগ ও বাংলাদেশ প্যাডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিপিএর সভাপতি ও বিএসএমএমইউর সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা। স্মরণসভায় বিএসএমএমইউর নবজাতক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মান্নান, শিশু হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. চৌধুরী ইয়াকুব জামাল বাকী, শিশু কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, ইনস্টিটিউট অব প্যাডিয়াট্রিক নিউরোডিসঅর্ডার অ্যান্ড অটিজমের (ইপনা) প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহীন আকতার, অধ্যাপক ডা. নাজমুন নাহার, অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. সঞ্জয় কুমার দে, জাতীয় অধ্যাপক এম আর খানের মেয়ে ডা. ম্যান্ডি কোরিন প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এই রকম আরও খবর দেখুন

সর্বশেষ আপডেট

অ্যার্কাইভ ক্যালেন্ডার
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১