নারী নির্যাতন অভিযোগ কেন্দ্র-পুলিশের ভয় দেখিয়ে জোর করে অর্থ আদায়

নবদিগন্ত মহিলা উন্নয়ন কর্ম সংস্থা…….

রেজাউল করীম : রাজশাহী মতিহার থানাধীন খড়খড়ি এলাকায় নবদিগন্ত নারী উন্নয়ন সংস্থার নামে একটি অফিস পরিচালনা করে আসছেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রাজিয়া সুলতানা, বিগত ৪ বছর থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠান কে একটি ধান্দাবাজি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপান্ত্রিত করেন। স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের সুত্রে যানা যায় রাজিয়া সুলতানা মতিহার থানার গ্রাম অঞ্চল খড়খড়ি এলাকায় ভয়ংকর প্রকৃতির কিছু মহিলা নিয়োগ দেন মাঠ কর্মি হিসেবে। আর এই মহিলাদের কাজ হচ্ছে গ্রামের প্রতিটি ঘরে আগুন লাগানো, স্বামী স্ত্রীদের মাঝে! এই বিষয়ে তাদের ট্রেনিংও নাকি দেওয়া হয়। পরে মেয়ের মাকে তার মেয়ের নিরাপত্তা ও স্বামী কে জিম্মি বা গোলাম বানিয়ে রাখার একটি কু বুদ্ধি পরামর্শ প্রদান করেন। এবং তাদের নিয়ে যান খড়খড়ি এলাকায় অবস্তিত নবদিগন্ত মহিলা উন্নয়ন কর্ম সংস্থায়, সেখানে ফাদ পেতে বসে আছেন রাজিয়া সুলতানা উনার রাজ সিংহাসনে। অফিসে ঢুকতে দেখা মিলবে পাসের টেবিলে বসে আছেন অফিস সহকারী আসমা বেগম যার ব্যাবহারে আত্মহত্যা করতে পারেন সমাজের ইজ্জৎ ধরে রাখা মানুষ গুলী। তার পার্সে বসে আছেন মিনারুল, প্রথমে অফিস পরিদর্শন খাতায় সই দিয়ে শুরু হয় ব্রেন ওয়াস মেয়ের এবং মেয়ের মায়ের। তার পর একটি অভিযোগ তৈরি করেন ইচ্ছা মতো, কারন তাদের নিজের খাতা কলম, লিখতে সমস্যা নাই। সাইন করিয়ে নেন, এই মর্মে যে জামাই এবং তার বাবা মা দ্বারা মেয়ে কে নির্যাতন করা হয় যৌতুকের কারনে ইত্যাদি।মেয়ে অভিযোগকারি, স্বাক্ষি মেয়ের মা ও রাজিয়া সুলতানার মাঠ কর্মিরা। বিনিময়ে হাতিয়ে নেন মেয়ের মায়ের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা। কারন পুলিশ নিয়ে জামায়ের বাসাই যেতে হবে খরচ আছে।একবার গেলেই জামাই এবং জামায়ের মা বাবা সহ পরিবারের সকল কে চিরতরে ঠান্ডা করে দেওয়া হবে। মামলার ও পুলিশের ভয়ে তারা আর কোনদিন আপনার মেয়ের সাথে খারাপ আচারন করবে না। আমাদের দেশে নারি নির্যাতন আইন, কঠোর হওয়াই এই আইনটিকেই পুঁজি বানিয়ে প্রতারনা করে আসছেন নিরিহ সাদাসিধা গ্রামের মানুষদের। গত ১৮ সেপ্টেম্বর মূর্সল নতুন পাড়া এলাকার মৃত মজিবরের ছেলে শরিফুল তার শাশুড়ি কে ভুল ভাল বুঝিয়ে নিয়ে যায় মাঠ কর্মি নাজমা তাদের বিছিয়ে রাখা ফাদে। এবং তাদের বিধিমোতাবেক সাইন করিয়ে নেন। তাতক্ষনিক রাজিয়া সুলতানা ও তার টিম নিয়ে চলে যান শরিফুলদের বাসাই, সেখানে গিয়ে শুরু হয় শরিফুল ও তার স্বজনদের সাথে খারাপ আচারন এক পর্যায় শরিফুল কে পুলিশের ভয় দেখিয়ে জোর করে তুলে নিয়ে যায় তাদের অফিসে। এবং তার কাছেও সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়ে ব্ল্যাকমেল করা শুরু করেন ২০ হাজার টাকা না দিলে এখনি পুলিশ ডেকে তুলে দিবেন। রাজিয়া সুলতানার ইশারাই থানার পুলিশ উঠবস করেন এমনও অভিযোগ উঠে আসে ভুক্তভোগীদের কাছে থেকে। এবং নারি নির্যাতন আইনে মামলা দিয়ে জেলের ভাত খাওয়াবেন তাকে সহ তার পরিবারের সকল কে। ভুক্তভোগীরা রাজিয়া সুতানার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দিয়েছেন মানব অধিকার সংস্থায়।

এ বিষয়ে নবদিগন্ত নারী উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক রাজিয়া সুলতানার সাথে কথা বলার জন্য তার অফিসে গেলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হয়নি ।

এই বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদি হাসান তিনি বলে অভিযোগ আসলে ব্যাবস্তা নিবেন নবদিগন্ত মহিলা উন্নয়ন সংস্থার বিরুদ্ধে।

এই রকম আরও খবর দেখুন

সর্বশেষ আপডেট

অ্যার্কাইভ ক্যালেন্ডার
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১