মৌসুমীকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান ওমর সানী

বিনোদন ডেস্ক : ২৮ বছর আগে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে মৌসুমীর আবির্ভাব। প্রথম সিনেমা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়েই বাজিমাত করেন তিনি। তবে দুই বছর আগে শিল্পী সমিতির নির্বাচন করে তিনি হেরে যান অভিনেতা মিশা সওদাগরের কাছে। সেই কমিটির মেয়াদ এখন শেষ হতে চলছে। এরই মধ্যে এফডিসিসহ চলচ্চিত্রের নানা আড্ডায় শিল্পী সমিতির আগামী নির্বাচন নিয়ে চলছে আলোচনা। এমনও শোনা যাচ্ছে, মৌসুমী এবার সভাপতি হিসেবে লড়বেন। মৌসুমীর কাছ থেকে যদিও সরাসরি কিছুই জানা যায়নি।

মৌসুমীর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানীর সঙ্গে কথা হলে তিনিও মৌসুমীর নির্বাচন করার ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলেননি। তবে তাঁর ভীষণ চাওয়া মৌসুমী এই সংগঠনের সভাপতি হোন।

ওমর সানী বলেন মৌসুমী কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা যদিও আমার জানা নেই তার পরও আমার একটা চাওয়া, শিল্পী সমিতির সভাপতি হোক মৌসুমী। তার মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়ার দারুণ গুণাবলি আছে। সে নিজে সৎ ও আপাদমস্তক চলচ্চিত্র–অন্তঃপ্রাণ। এমনকি সে এই সমিতির সভাপতির পদ ডিজার্ভও করে।

মৌসুমীকেই কেন সভাপতি হতে হবে? জানতে চাইলে ওমর সানী বলেন, ‘আমাদের চলচ্চিত্রজগৎ এখন রুগ্‌ণ অবস্থায় আছে। যেকোনো রোগ সারানোর জন্য তো একজন ভালো ডাক্তারের কাছে আমরা যাই। আমি মনে করি, শিল্পীদের মধ্যে যে বিভাজন, অস্থিরতা ও রুগ্‌ণ অবস্থা বিরাজ করছে, তাতে একজন ভালো ডাক্তার হয়ে মৌসুমী তা সারাতে পারবেই। যদিও আরও ডাক্তার আছে, তার পরও আমি মনে করি, সবার থেকে মৌসুমীই বেশি যোগ্য। মোটেও এটা নিজের স্ত্রী বলে বলছি না। একজন সহযাত্রী ও সহযোদ্ধা হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে মৌসুমীকে পর্যবেক্ষণ করে আমার তেমনটাই মনে হয়েছে।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে গত আসরে সভাপতি পদে মিশা সওদাগর পেয়েছিলেন ২২৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মৌসুমী পেয়েছিলেন ১২৫ ভোট। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন প্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে। গতবার ১৫তম নির্বাচন হয়েছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্রের ৮ অনুচ্ছেদের (চ) অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা।

এই রকম আরও খবর দেখুন

সর্বশেষ আপডেট

অ্যার্কাইভ ক্যালেন্ডার
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১