রাজশাহী-১ আসনে আলোচনায় ফারুক-আমিনুল

আলিফ হোসেন, তানোর প্রতিনিধি : রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকায় স্থানীয় সাংসদ (সাবেক) শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধূরী ও বিএনপি নেতা (সাবেক) ডাকমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের বিপরীতমূখি অবস্থান নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। আলোচনায় উঠে এসেছে এই দু’নেতার রাজনৈতিক দূরদর্শীতা, ব্যক্তি ইমেজ, পারিবারিক অবস্থান ও ঐতিহ্য ইত্যাদি নিয়ে। স্থানীয়রা জানান, এমপি ফারুক চৌধূরী শহীদ পরিবারের সন্তান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, আর ব্যারিস্টার আমিনুল হক বিএনপি মতাদর্শী ও অবৈধ সম্পদ অর্জন, বিদেশে অর্থপাচার, অনিয়ম-দূর্নীতি ও জঙ্গিবাদে মদদদানের অভিযোগে অভিযুক্ত। এক জনের স্বপ্ন দেশকে মালেশিয়া-সিঙ্গাপুর করা, অপর জনের স্বপ্ন পাকিস্থান-আফগানিস্থান মূখি। এক জন রোদ ও ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে প্রত্যন্ত পল্লীর পা ফাটা কৃষক ও সাধারণ মানুষ নিয়ে করছে রাজনীতি, অপরজন ঢাকায় ঠান্ডা ঘরে বসে গরম কফির কাপে চুমুক দিয়ে বিত্তশীল নেতাদের নিয়ে করছে নেতা নির্ভর রাজনীতি। এসব নিয়ে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তৃণমূল নির্ভর ফারুক চৌধূরী জনপ্রিয়তায় নেতা নির্ভর ব্যারিস্টার আমিনুরের থেকে অনেক এগিয়ে রয়েছে। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বিলাস ও প্রচার বিমূখ এমপি ওমর ফারুক চৌধূরী তার নিজস্ব স্বকীয়তায় অন্যদের থেকে এগিয়ে চলেছেন। রাজনীতিতে এমপি ওমর ফারুক চৌধূরী ও ব্যারিস্টার আমিনুলের বিপরিতমূখী অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে ফুটে উঠেছে ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষ এই দু’রাজনৈতিক নেতার পার্থক্য বুঝতে শুরু করেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও পর্যবক্ষত মহলে এই দু’নেতার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থান-কর্মকান্ড নিয়ে চলছে চুল-চেরা বিশ্লেষণ, যেখানে ব্যারিস্টার আমিনুল হকের থেকে নেতুত্ব ও জনপ্রিয়তায় এমপি ফারুক চৌধূরী অনেক এগিয়ে রয়েছে। তাদের অভিমত মোদ্দা কথা যেমন আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপি, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জিয়া, শেখ হাসিনার সঙ্গে খালেদা জিয়া, সজিব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে তারেক জিয়ার তুলনা করা যায় না ঠিক তেমনি নেতা নির্ভর রাজনৈতিক নেতা ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সঙ্গে তৃণমূলমূখি রাজনৈতিক নেতা এমপি ফারুক চৌধূরীর তুলনা হয় না । রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, ব্যারিস্টার আমিনুল হক যেখানে গোদাগাড়ি ছাত্রলীগ নেতা ফিরোজ হত্যার প্রধান আসামি রহুলকে পুলিশের এসআই পদে চাকরি দিয়েছেন, অথচ একই পদে তানোর উপজেলা ছাত্রদল নেতা এমদাদ মন্ডলের সকল যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও শুধুমাত্র তানোরের বাসিন্দা হওয়ায় চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তেমনি আবার বিএমডিএ ও কার্ব এসজিওতে শুধুমাত্র তার আতœীয়-স্বজন, দলীয় ক্যাডার ও গোদাগাড়িকে প্রাধান্য দেয়া হলেও দীর্ঘদিন ধরে তানোরের হাজারো মানুষকে বঞ্চিত রেখেছে। অথচ এমপি ফারুক চৌধূরী তানোর-গোদাগাড়ি উভয় উপজেলায় চাকরি মেলা করে হাজার হাজার বেকারের চাকরি দিয়েছেন। এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, পুলিশের এসআই থেকে শুরু করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি পদে অসংখ্য মানুষকে বিনা পয়সায় চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। এমনকি প্রায় ৮ বছর এমপি থাকলেও এমপির সম্মানি ভাতার একটি টাকা তিনি নিজে গ্রহণ না নিয়ে সেই টাকা এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে বিতরণ করে আসছেন। এসব কারণে ভোটার ও সাধারণের কাছে আমিনুলের থেকে এমপি ফারুক চৌধূরী পচ্ছন্দ ও জনপ্রিয়তায় অনেক এগিয়ে রয়েছে। আবার অনিয়ম-দূর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ আহরণের সুযোগ থাকলেও এমপি ফারুক টৌধূরীর অর্থলিপসা না থাকায় তিনি সেই পথে পা দেননি যা গতানুগতিক রাজনীতিতে অনেকটা বিরল ঘটনা।
জানা গেছে, দেশের গতানুগতিক রাজনীতিতে যেটা অনেকটা বিরল, যেখানে একশ্রেণীর জনপ্রতিনিধি বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার একশ্রেণীর সাংবাদিক বগলদাবা করে নিজেদের প্রচারে ব্যস্ত সেখানে এমপি ফারুক চৌধূরী এক্ষেত্রে অনেকটা মিয়মান। তিনি প্রচার নয় উন্নয়ন কাজে বিশ্বাসী তায় তিনি নিরবে নিভৃতে আপন গতিতে উন্নয়ন কাজ করে চলেছেন। যে কারণে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলাস ও প্রচার বিমূখ এই জনপ্রতিনিধির আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তার সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, আমলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের পাশাপাশি প্রত্যন্ত নিভৃত পল্লীর একেবারে হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষরাও সরাসরি তার সঙ্গে সাক্ষাত করে সহজেই যে কোনো কথা বলতে পারেন। সমস্যার সমাধান বা পাওয়া না পাওয়া বড় কথা নয় যে কোনো সমস্যায় সাধারণ মানুষ ছুটে গিয়ে তার কাছে কথা বলতে পারেন আবার তিনিও মনোযোগ সহকারে তাদের কথা শোনেন। এসব বিবেচনায় নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। ফলে স্থানীয় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধূরী এমপির অকৃত্রিম জনপ্রিয়তার কাছে, সাবেক ডাকমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের কৃত্রিম জনপ্রিয়তা উবে যেতে বসেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতো ঘনিয়ে আসছে ততোই কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপি ফারুকের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিপরীতে সাবেক ডাকমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক অনেকটা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে প্রতিনিয়ত জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। আবার রাজশাহী-১ নির্বাচনী এলাকায় হঠাৎ করেই নব্য জেএমবির উঙ্খানে ফের সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে ব্যারিস্টার আমিনুল আবার নিজ দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা তাকে সূখের পায়রা নামে অভিহিত করেছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, রাজশাহী-১ ‘তানোর-গোদাগাড়ী’ সংসদীয় আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ব্যারিস্টার আমিনুল হক। একবার পূর্ণ মন্ত্রী ও একবার প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। কিšত্ত সেনা সমর্থিত গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি আতœগোপণ করেন। আর এই সময়ের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে জঙ্গীবাদে মদদদানসহ ১৩টি মামলা দায়ের হয়। এছাড়াও ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর আস্থা না রেখে রাজনীতিতে বশংবদ সৃষ্টি করে শীষ মোহাম্মদ ও আব্দুল মজিদ মাস্টারের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ঘনিষ্ঠ এই দুই সহরের দিকনির্দেশনায় রাজনীতি করেন। এ সময় সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলে নেতাকর্মীদের ওপর আস্থা না রেখে তাকে সন্তুষ্ট করতে রাজনীতির মাঠে একশ্রেণীর বগি নেতা ও রাজনৈতিক পরিচয়ের টাউট-বাটপার বাহারী ব্যানার পোস্টার ও প্যানা দিয়ে তার কৃত্রিম জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করে তাকে মুগ্ধ করে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে থেকে দুরে সরিয়ে রাখে। তিনিও সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা বা গুরুত্ব না দিয়ে রাজনীতিতে বশংবদ সৃষ্টি করে ঢাকায় ঠান্ডা ঘরে বসে গরম কফির কাপে চুমুক দিয়ে নেতামূখী ও নেতা নির্ভর রাজনীতিকে প্রাধান্য দেন। এতে সাধারণ মানুষ তো দুরের কথা দলের ইউনিয়ন বা ওযার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীগণ সরাসরি তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারেননি। রাজনৈতিক হানাহানি, মিথা মামলা মোর্কদমা ও নেতাদের ক্ষমতার দাপটের কারণে সাধারণ মানুতো বটেই নিজ দলের তৃণমূলে অনেক নেতাকর্মীকে রাতের পর রাত পরিবার-পরিজন ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। আবার তার এসব কর্মকান্ডের প্রতিবাদে ওই সময় বিএনপি নেতা এমরান আলী মোল্লা ও যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান তানোরে তাকে একাধিকবার অবাঞ্চিত ঘোষণা করে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও পথে পথে ব্যারিকেড দিয়েছেন। অপরদিকে বিএনপি ক্ষমতাচ্যুত হবার পর শীষ মোহাম্মদ প্রয়াত ও আব্দুল মজিদ মাস্টার আনুষ্ঠানিক ভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করলে তিনি রাজনীতির মাঠে অনেকটা একা হয়ে পড়েন, সঙ্গে সঙ্গে তার কৃত্রিম জনপ্রিয়তাও রাতারাতি ‘উবে’ হারিয়ে যায়। আবার তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার তেমন কোনো সম্পর্ক গড়ে না উঠায় রাজনীতিতে তার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে তিনি শত চেস্টা করেও বার বার ব্যর্থ হন, হারিয়ে যায় তার কৃত্রিম জনপ্রিয়তা রাজনীতির মাঠে অনেকটা একা হয়ে পড়েন। তার সময়ে সরকারি-বেসরকারি চাকরির জন্য এলাকার সাধারণ মানুষ বাড়ি-ভিটে, জায়গা-জমি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা দিলেও অধিকাংশ মানুষের কপালে চাকরি জোটেনি আবার টাকা ফেরত না পেয়ে ফতুর হয়েছে বলেও নির্বাচনী এলাকায় প্রচার আছে।
অপরদিকে এমপি ফারুক চৌধূরী নেতা নির্ভর রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় তার রাজনীতি শুরু থেকেই পা-ফাটা সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নির্ভর। তিনি রাজনীতিতে বশংবদ সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেননি তার রাজনীতি পুরোটায় তৃণমূল ও সাধারণ মানুষমূখী। ফলে তৃণমূল ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠে সৃষ্টি হয় অকৃত্রিম জনপ্রিয়তা। অথচ তার নিজ দলের কিছু বগি নেতা অবৈধ সুবিধা আদায় ও বশংবদ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়ে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। কিšত্ত নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপি ফারুকের অকৃত্রিম জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়েনি বরং প্রতিনিয়ত তা আরো গভীর হয়েছে। নির্বাচনী এলাকার এমন কোনো পাড়া-মহল্লা নাই যেখানে এমপি ফারুকের পা পড়েনি বা তিনি এসব এলাকার মানুষের সঙ্গে স্বশরীরে কথা বলেননি। তৃণমূলের এমন কোনো নেতাকর্মী বা সমর্থক নাই যাকে তিনি নাম ধরে চিনেন না। একজন রাজনৈতিক নেতার কতটুকু রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও বিচক্ষণতা থাকলে এমনটা হয় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এমপি ফারুক। এখানো নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য এমপি ফারুকের দরজা খোলা যে কোনো মানুষ যে কোনো সময় তার সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাত করে অভাব-অভিযোগের কথা বলতে পারেন, যেটা দেশের গতানুগতিক রাজনীতিতে অনেকটা বিরল। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, পুলিশের এসআই থেকে শুরু প্রাইমারি স্কুলের দফতরি পদে বিনা পয়সায় অসংখ্য মানুষকে চাকরি দিয়েছেন। এছাড়াও ব্যক্তি উদ্যোগে চাকরি মেলা করে বিনা পয়সার হাজার হাজার বেকারদের চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। তার অনুরোধেই বিভিন্ন শিল্পপতিরা তানোরে ব্যক্তি উদ্যোগে হলেও কৃষি ভিত্তিক শিল্প-কারখানা গড়ে তুলেছেন। আবার তিনি হতদরিদ্র মৎস্যজীবীদের জন্য প্রায় দু’কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি মৎস্য অভয়াশ্রম ও একটি কজওয়ে নির্মাণ করেছেন।
সাধারণ মানুষের অভিমত, তারা দুবেলা দুমুঠো ডাল-ভাত খেয়ে কোনো ঝুট ঝামেলা, রাজনৈতিক হানাহানি বা মামলা মোর্কদমায় না পড়ে পরিবারের সঙ্গে নির্বিঘেœ রাত্রিযাপন করতে পারেন এটাই তাদের প্রত্যাশা। আর এমপি ফারুকের নির্বাচনী এলাকায় এটা এখানো বিদ্যমান রয়েছে। তার সময়ে কোনো রাজনৈতিক হানাহানি, পুলিশি হয়রানি, মিথ্যা মামলা বা রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে কোনো সাধরণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমনটি বিরল। এছাড়াও নির্বাচনী এলাকার সব মানুষের সব প্রত্যাশা তিনি হয়তো পূরুণ করতে পারেননি এটা যেমন সত্য, তেমনি আবার তার দ্বারা নির্বাচনী এলাকার একটি মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি সেটাও সত্য। এসব বিবেচনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে এমপি ফারুক চৌধূরীর অকৃত্রিম ও আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা রয়েছে। নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এই রকম আরও খবর দেখুন

সর্বশেষ আপডেট

অ্যার্কাইভ ক্যালেন্ডার
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১